ডিগ্রি ১৯-২০ সেশন এবং অন্যান্য সেশনভুক্ত ছাত্রছাত্রীদের প্রতি আমাদের কিছু বাস্তব কথা
আমরা যারা ডিগ্রি কোর্সে পড়েছি, তাদের অভিজ্ঞতা প্রায় একই।
৩ বছরের এই কোর্স শেষ করতে অনেকের ৬-৭ বছর লেগে গেছে।
এটা শুধু ১৯-২০ সেশনেই হয়নি, বরং এর আগের বিগত সেশনগুলোতেও এমনটা হয়েছে।
বিশেষ করে ১৯-২০ সেশনের ৩য় বর্ষ এবং ২০-২১ সেশনের ২য় বর্ষের পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ নিয়ে আমরা সবাই জানি, কীভাবে আন্দোলন করে রুটিন প্রকাশ করাতে হয়েছিল।
সেসময় মাননীয় ভিসি মহোদয় আমাদের কিছু অঙ্গীকার করেছিলেন:
ভিসি স্যারের অঙ্গীকার:
ডিগ্রি কোর্সে বৈষম্য থাকবে না।
পরীক্ষা শেষ হওয়ার ১ মাসের মধ্যে রেজাল্ট প্রকাশ করা হবে।
দ্রুত সেশনজট নিরসন করা হবে।
ডিগ্রি শেষে উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে যে সমস্যা হয়, বিশেষ করে ক্রেডিট সিস্টেম, তা চালু করা হবে।
রেজাল্ট এত দ্রুত প্রকাশ করবে যাতে কোনো চাকরির সার্কুলার মিস না হয়।
কিন্তু প্রশ্ন হলো—
ভিসি স্যার তাঁর সেই কথাগুলো কতটা রক্ষা করেছেন?
কীভাবে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হয়নি:
সেশনজট: এখনো ৬-৭ বছর লেগে যাচ্ছে ৩ বছরের কোর্স শেষ করতে।
রেজাল্ট প্রকাশ:
বলা হয়েছিল ১ মাসে রেজাল্ট।
কিন্তু বাস্তবে মাসের পর মাস, বছরের পর বছর কেটে যায়।
বৈষম্য:
অন্যান্য কোর্সের তুলনায় ডিগ্রি কোর্সের শিক্ষার্থীরা এখনো পিছিয়ে।
ক্রেডিট সিস্টেম:
বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ক্রেডিট ট্রান্সফার বা সিস্টেম এখনো চালু হয়নি।
চাকরির সুযোগ:
রেজাল্ট দেরিতে দেয়ায় অনেকেই চাকরির সার্কুলার মিস করছে।
প্রশ্ন রইলো—
ভিসি স্যারের কাছে আমরা চেয়েছিলাম শুধু সময়মতো রেজাল্ট।
রেজাল্ট প্রকাশে এতো বিলম্বের কারণ কী?
কেন বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ হচ্ছে?
আমাদের ডিগ্রি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত নিয়ে কি কেউ গুরুত্ব দেয় না?
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Thanks